রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে আলোচনা শেষ হওয়ার পর ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওই সূত্রটি জানায়, একটি পৌঁছানোর জন্য এখন বল পুরোপুরি যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে রয়েছে এবং ওয়াশিংটনকে বাস্তবতার নিরিখে বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে।
সূত্রটি আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে, ইরান কোনো অবস্থাতেই তড়িঘড়ি করে কোনো চুক্তিতে সই করতে আগ্রহী নয় এবং জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়। হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র একটি সম্মানজনক চুক্তিতে না আসা পর্যন্ত এই কৌশলগত পানিসীমায় পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হবে না।
তাসনিম নিউজের ইসলামাবাদ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, প্রায় ২১ ঘণ্টার নিবিড় কূটনৈতিক আলোচনার পর ইরান ও আমেরিকার প্রতিনিধি দল কোনো সাধারণ ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। এর প্রধান কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অতিরিক্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষা’ এবং ‘অযৌক্তিক দাবিকে’ দায়ী করা হয়েছে। ইরানের প্রতিনিধি দলে ছিলেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়েদ আব্বাস আরাগচি এবং আলী বাঘেরি।













