সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী বিতর্কিত চরিত্র, যার জীবনকাহিনি যেন একই সঙ্গে উত্থান, প্রভাব বিস্তার এবং অভিযোগের ভারে নত হওয়ার দীর্ঘ এক অধ্যায়। শেখ মুজিবের শাসনামলে ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষের সময় ত্রাণবাণিজ্যের অভিযোগ থেকে শুরু করে সেনাবাহিনীর শীর্ষপদ, কূটনৈতিক দায়িত্ব, রাজনীতি এবং শেষ পর্যন্ত মানবপাচার ও হাজার কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ—সব মিলিয়ে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তিনি।
ত্রাণের তেল চুরির মামলা থেকে বাঁচতে রক্ষীবাহিনীতে যোগ দেওয়া সেই তরুণ কীভাবে দেশের নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক এবং সবশেষে হাজার কোটি টাকার মালিক ও সংসদ সদস্য হলেন, সে গল্প রূপকথাকেও হার মানায়। মানবপাচার, অর্থ আত্মসাৎ এবং ছাত্র-জনতার ওপর হামলার মামলায় গত সোমবার রাতে ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার ও রিমান্ডের পর বেরিয়ে আসছে তার অন্ধকার জগতের চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো কেবল বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘ সময় ধরে গড়ে ওঠা একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্কের অংশ।













